লোকটার নাম বদরুল আলম বয়াতি, এই বদ আলম বয়াতি নিজের মেয়েটাকে মানুষের কাছে তুলে দিয়ে টাকা পয়সা ইনকাম করে তার সংসার চালায় ৷ প্রথমে দেশী কাস্টমারের পাশাপাশি বয়াতি এক সময় বিদেশী পর্যটক, দূতাবাস কর্মকর্তাসহ বিত্তবানদেরকে টার্গেট করে তার মেয়েকে দিয়ে ব্যবসা শুরু করে ৷ তবে দেশ-বিদেশে ছোট বড় বাস ট্রাকের চাপ নিয়েও বয়তির মেয়েটা নাকি এখনও ভার্জিন৷
টেকনিক্যালি তাদের দাবি সত্য! কারন ভার্জিন হচ্ছে ২ প্রকার এক ভার্জিন যাহা কখনও ব্যবহৃত হয়নি৷ আরেকটা ভার্জিন হলো যে পথ দিয়ে সামাদ কাকাদের মতো অনেক চালক বাস ট্রাক চালিয়ে বারমুডা ট্রাই এঙ্গেল বানিয়ে ফেলেছে৷ বিশাল এই সুরঙ্গে এখন যা যায় সব হারিয়ে যায়৷ তার সুরঙ্গে যাহাই ঢুকুক আর বেরিয়ে যাক কাকার মেয়ে টের পায়না বলেই সে নিজেকে এখন ভার্জিন মনে করে৷
এই ধরনের ভার্জিনিটি কেউ ভাঙ্গতে পারবে বলে মনে হয় না৷